Dashdikey Dashabhuja
Durga Pujar Galpochhobi
এবছর পুজোর কাউন্টডাউন আরম্ভ করতে ইচ্ছে করেই একটু দেরী করছিলাম। দুর্গাপুজো আবেগের জায়গা আমাদের সবার কাছেই। বাঙালির অন্যতম অঙ্গীকার এবং অহঙ্কার দুর্গাপুজো। গতবছর আমার নিজের পুজো আর্কআইভ 'দশদিকে দশভূজা'-র জন্য খুব একটা বেশি কভারেজ করে উঠতে না পারায় বিগত বছরগুলির সংগ্রহ তুলে ধরে একটা সিরিজ করেছিলাম 'পুজো হোক ফিরে দেখার'। বড় মুখ করে বলেছিলাম ২০২১-এর সিরিজের নাম হবে 'একুশের জয়গান'। বলে নিজেই একটু মরমে মরছিলাম যে কীভাবে তুলে ধরা হবে এই জয়গান? যদি আবার সেই অনাকাঙ্খিত অনিশ্চয়তা ফিরে আসে? একথা ঠিকই যে অনিশ্চয়তার ভ্রূকুটি এখনও পুরোপুরি কাটেনি। কিন্তু মায়ের আবাহনের অঙ্গীকার অনেক অশুভের নাশ ঘটাবে — এ আমাদের বিশ্বাস। আজ মহালয়া, দেবীপক্ষের সূচনা লগ্নকে সাক্ষী রেখে আত্মপ্রকাশ করলো দশদিকে দশভূজা। বিগত বছরগুলির সংগ্রহ এবং এই বছর থেকে পর পর যা কভারেজ করা হবে, সবকিছুর আকর হিসেবে তুলে ধরা হলো এই আর্কাইভ। সেই সঙ্গে থাকছে জেলার মৃৎশিল্পীদের কথা ও তাদের কাজের মুহূর্ত সঞ্চয়ন। সাক্ষী হন আপনারাও। প্রতিটি আর্কাইভের লিঙ্ক ধরে আপনারাও পৌঁছে যান আমাদের ছবিঘরে। দশভূজার অন্দরমহলের "আনন্দ যজ্ঞে সবার মধুর আমন্ত্রণ।"
যাঁদের হাতে চিন্ময়ী রূপে ভূষিতা হন, সেই রূপকারদের কথা আমরা জানতে পারি, বা জানতে চাই ক'জন? দশদিকে দশভূজা'র মুহূর্ত সঞ্চয়নে ধরা পড়েছে শিল্পীদের আঙিনায় খড়-মাটি-বাঁশের কাঠামোর প্রারম্ভিক মেলবন্ধনের সময় থেকে মৃণ্ময়ী প্রতিমার চিন্ময়ী সত্তায় প্রকাশের ধারাবাহিক বহিঃপ্রকাশ। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, নন্দকুমার ও তমলুক উপকণ্ঠীয় কিছু শিল্পীদের সাথে সংকলকের ব্যক্তিগত পরিচয়সূত্র তাঁকে জানতে শিখিয়ে শিল্পী হৃদয়ের হাসিকান্নার কথা। সেই ভাবাবেগ নিয়েই লেখা 'মৃৎ-পূজারীর অঙ্গনে' আর স্মৃতির সরণির কথাগুলির সাথে "The Hands That Shape the Goddess"-এর এই ছবিঘরে তুলে ধরা হলো তাঁদের অঙ্গনের পূর্ণতা ও রিক্ততার ধারাবিবরণী। এই লিঙ্কগুলি আমাদেরকে আমাদের অত্যন্ত প্রিয় কয়েকজন শিল্পীর সাজঘরে নিয়ে যাবে। এখানে ঘটবে আরও সংযোজন —
Click Here —
Anup Ghorai
Kshudiram Samanta
Narayan Chandra Paria
Tarun Bera
Dashabhuja Parikrama
Pujo Saforer Chhobighar
এবার পালা নিজের কাছে যত্নে লালিত এতদিনের সংগ্রহের আকরকে পুজোপ্রেমীদের জন্য, সবার জন্য উন্মুক্ত করার। পরিক্রমার সূত্র ধরেই অনেকবার জিজ্ঞাসিত হতে হয়েছে যে ব্যক্তিগত সংগ্রহভাণ্ডার তো হলো, কিন্তু মানুষ সে সংগ্রহ দেখবে কী করে? ভাবনায় এলো সামগ্রিকতার স্পর্শ। বিগত দশ বছরের (২০২১-এ আত্মপ্রকাশের এই মুহূর্তের নিরিখে) এবং ক্ষেত্রবিশেষে তার আগের কিছু বছরের পুজোর উপস্থাপনাকেও একসূত্রে গাঁথার এই প্রয়াসের ফল এই ছবিঘরে সবাইকে স্বাগত —



No comments:
Post a Comment